“শহীদ আসাদ দিবস” বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডিআইইউ শিক্ষার্থীদের ভাবনা

সালটা ১৯৬৯ এর ২০ জানুয়ারি; স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আগ্নেয়গিরির মতো জ্বলে উঠেছিল শহীদ আসাদ, শহীদ রুস্তম ও শহীদ মতিউর বাহিনী। গদি হারানোর ভয়ে স্বৈরাচার আইয়ুব খান আসাদদের উপর গুলি চালালে, বেশ কয়েকজন ছাত্রনেতা শহীদ হন।
সমগ্র দেশে আন্দোলনের দাবানল জ্বলে উঠে। শহীদ আসাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে শুরু হয় গনঅভ্যুত্থান এবং গণআন্দোলনের মাধ্যমে পতন ঘটে আইয়ুব খানের। ‘শহীদ আসাদ দিবস’ নিয়ে বর্তমান প্রজন্ম কতোটুকু জানে? বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সেইসব ভাবনা ও জানা বিষয়গুলোকে তুলে ধরেছেন দেশদেশান্তর২৪ এর ডিআইইউ প্রতিনিধি নুর ইসলাম।
শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ বাংলার মানুষের মনোবলকে দৃঢ় করে
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যূত্থানের সময়ের এই দিনে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এটি তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে বাঙালি ছাত্রদের ১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দেন ছাত্রনেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আসাদুজ্জামান।
বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান সৃস্টির একটি করে মহা বীবের গল্প রয়েছে। ঠিক তেমনটিই আমরা দেখতে পেলাম ২০২৪ এ। ১৯৬৯ এর ন্যায় ২০২৪ এর গনঅভ্যুত্থানের মহাবীর আবু সাইদ যিনি ১৬ই জুলাই আন্দোলন চলাকালে একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
কোটা আন্দোলনকারীরা তাকে আন্দোলনের প্রথম শহিদ বলে আখ্যায়িত করে। তার এই আত্মত্যাগ সারা বাংলার মানুষের মনবলকে আর দৃঢ় করে তুলে।যার ফলে আমরা আর্জন করি আমাদেন দ্বিতীয় স্বাধীনতা। তাই আজকের এই আসাদ দিবসে আমাদের স্বাধীনতার মহাবীরের প্রতি জানা বিনম্র শ্রদ্ধা।
মো: শাহরিয়ার সাগর,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ডিআইইউ ‘ল’ ক্লাব।
আসাদের আত্মত্যাগ প্রেরণা হয়ে থাকবে
আজ ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজ শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে তৎকালীন আইয়ুব খানের শাসনবিরোধী আন্দোলনে শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান।
তিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের "১১ দফা দাবি" এবং তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
২০ জানুয়ারি, পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়ে ঢাকার পল্টন এলাকায় তিনি শহীদ হন। শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। তাঁর জীবন ও ত্যাগ আমাদের আগামী দিনের প্রেরণা হয়ে থাকবে।
তাঁর স্মৃতি চিরজাগরুক রাখতে তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাস জানার ও সঠিক পথ অনুসরণে সকলকে আহ্বান জানাই। বিশহীদ আসাদ দিবসে তাঁর আত্মত্যাগের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা।
জান্নাতুল ফেরদৌস জয়া,
সহ সাধারণ সম্পাদক, ডিআইইউ বন্ধুসভা।
শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
শহীদ আসাদ দিবস ; ১৯৬৯ তারিখে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শহীদ আসাদ আহমদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তিনি পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন।
আসাদের মৃত্যুর পর, তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশের মুক্তির জন্য আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করে এবং বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামে এক নতুন গতি এনে দেয়। এই দিনটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে চিহ্নিত।
শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।
মোছা: ঈশিকা,
অর্থনীতি বিভাগ, ডিআইইউ।
শহীদ আসাদ স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক
২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তিনি তখন ১১ দফা আন্দোলনের অংশ হিসেবে স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।
তার আত্মত্যাগ সেই সময়ের গণআন্দোলনকে তীব্র করে তোলে এবং পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। শহীদ আসাদ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য নাম, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে আছেন।শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি শহীদ আসাদকে!
মো: রবিন,
আইন বিভাগ, ডিআইইউ।
কেএ